বিয়ের শাড়ি

বিয়ের শাড়ি বাছাই করার সময় ৭টি বিষয় মনে রাখবেন!!

বিয়ের শাড়ি, বিয়ে মানেই আনন্দ, চারিদিকে এক জমজমাট অবস্থা। সবাই বিভিন্ন আনন্দে মেতে থাকেন। সকলের মধ্যে একটা চিন্তা থাকে কি ধরনের জামাকাপড় কিনবে এবং কি ধরনের জামাকাপড় পড়লে ভালো লাগবে। মেয়েদের ক্ষেত্রে তো আরও বেশি কাজ করে। কিভাবে সাজবে, কি জামাকাপড় পরলে ভালো লাগবে। 

বিয়ের সময় মেয়েদের মধ্যে শাড়ি পড়ার ধুম পরে যায়। কে কি ধরনের শাড়ি পড়বে, কি শাড়ি পরলে ভালো লাগবে, কিভাবে সাজবে, কিভাবে সাজাবে নিজেকে। কারন নিজেকে ভালো লাগুক এটা সবাই চায়।

আর সেই শাড়ি বাছাই যদি হয় কনের জন্য তাহলেতো কথাই নেই। কত ধরনের চিন্তা মাথায় আসে, কোন শাড়িটি নিবে, কোন রঙয়ের নিবে, কোন শাড়িতে ভালো মানাবে। 



আর এত চিন্তা আসবেই বা না কেনো?

বিয়ের মাধ্যেমে মানুষ নতুন জীবন শুরু করেন। কনে থাকে বিয়ের দিনটিতে সব আয়োজনের মধ্যমণি। প্রতিটি মেয়েই চায় এই দিনটিতে নিজেকে সুন্দর করে সাজাতে, কারন এই দিনটিতো জীবনে একবারই আসে। 

সাজ-পোশাক বর-কনেকে সামগ্রিক সৌন্দর্যের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাখে। নতুন বউ-এর শাড়িটি বিশেষ আকর্ষণ থাকে বিয়ের দিনে। 

 

বিয়ের শাড়ি কেনার সময় থাকতে হয় অনেক সচেতন, মাথায় রাখতে হয় অনেক কিছু

চলুন যেনে নেই শাড়ি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যেই ৭টি জিনিস মনে রাখব, যেন শাড়ি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোন ভুল না হয়।

১) প্রথমেই আসুন রঙের ক্ষেত্রে। বিয়ে মানেই লাল রঙের শাড়ির থাকেই।  কিন্তু লাল রঙ কিন্তু একটা নয়। লাল রঙয়ের মধ্যে অনেক ধরন রয়েছে। তার মধ্য থেকে আপনার সাথে যেটা মানানসই সেটাই বাছাই করবেন। 

 যেমনঃ আপনার গায়ের রং যদি শ্যামলা অথবা চাপা হয়, তাহলে লাল গাঢ় রঙের শাড়ি বেছে নিন। চাইলে গাঢ় নীল বা   গোলাপি রঙয়েরও নিতে পারেন। 

গায়ের রঙ ফর্সা হলে যেকোন লাল রঙয়ের শাড়িতেই আপনাকে মানাবে, কিন্তু আপনার পছন্দ মত, শাড়ির রঙ এবং ডিজাইন দেখে বাছাই করুন।

২)  লালা রঙয়ের শাড়ি না পরতে চাইলে বিয়ের শাড়ি হিসেবে বেছে নিতে পারেন মেরুন, সোনালি, ব্রোঞ্জ, গাঢ় গোলাপির নানান শেড, মিষ্টি কালার, কমলা ইত্যাদি। ল্যাভেন্ডার রঙটাও বেশ মানাবে।

৩) আপনি যদি মোটা হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য জর্জেট শাড়ি বাছাই করাটাই ভালো হবে। কারন জর্জেট শাড়িতে ওজন অনেকটাই কম দেখায়। 



অন্যদিকে আপনি যদি খাটো হয়ে থাকে তাহলেও জর্জেট বেছে নিতে পারেন। স্লিম দেখালে লম্বাও লাগবে বেশি। 

কাতান অথবা কোন ভারী কাপড়ের শাড়ি বেছে নিতে পারেন যদি আপনি বেশি রোগা হয়ে থাকেন। শাড়িতে কারুকাজ যদি বেশি করা থাকে তাহলে আপনাকে বেশি সুন্দর ও স্বাস্থ্বান দেখাবে। 

আর যদি ওজন বেশি হলে তাহলে ভারি কাজের শাড়ি পরিহার করুন।

৪) দামী একটা শাড়ি হুট করেই কিনে ফেলবেন না। প্রথমে মনের মত রঙের একটা পোশাক বাছাই করুন। শাড়িটি পরে একটা ট্রায়াল দিন। গায়ে শাড়ি ধরেও দেখতে পারেন কেমন মানিয়েছে। কিছু ছবি তুলে ফেলুন। এতে খুব সহজেই বুঝবেন যে কোন রঙটি আপনাকে বেশি মানাচ্ছে।

৫) যাদের উচ্চতা কম, তাঁরা ভুল করেও চওড়া পাড়ের শাড়ি পরবেন না চিকন পাড়ের শাড়ি পরুন। এতে আপনাকে লম্বা দেখাবে। মোটা মেয়েরাও চিকন পাড়ের শাড়ি পরতে পারেন। 

৬) কেউ যদি জামদানি শাড়ি পরতে চান, সেক্ষেত্রে একটি ভালোমানের বিয়ের জামদানি শাড়ি বানাতে লাখ টাকার ওপরে প্রয়োজন হয়, যদি এত টাকা খরচ করতে চান তাহলে ঠিক আছে, আর না চাইলে সেক্ষেত্রে বাজেটের মধ্যে ভালো শাড়ি পেতে সাধারণ শাড়ির দোকান বা তাঁতির কাছ থেকে শাড়ি কিনে নিতে পারেন, তারপর লেস ও পাড় বসিয়ে পছন্দমতো ডিজাইনের ব্লক বা এমব্রয়ডারি করে নিতে পারেন। তাহলেই হয়ে গেল বিয়ের দিনে পরার জমাকালো এক্সক্লুসিভ শাড়ি। 



কাপড় কিনে ঠকছেন নাতো Ladies Dress Buying Tips

৭) ব্লাউজের কথা ভুলবেন না একদমই, এটা খুব জরুরি, শাড়ির সঙ্গে মানানসই সঠিক মাপের সুন্দর শেপের ব্লাউজ বানিয়ে নিবেন। অবশ্যই পরে দেখবেন সব ঠিকঠাক আছে কিনা। কারন শাড়ি যেমন জরুরি তার সাথে মানানসই ব্লাউজও জরুরি, যেনো শাড়ির সাথে মানিয়ে যায়।

বিয়ের শাড়ি পছন্দ করার সময় এই বিষয়গুলো মনে রাখবেন, তাহলেই আপনার জন্য একটি সুন্দর ও মানানসই শাড়ি পছন্দ করতে পারবেন। 

  

One Reply to “বিয়ের শাড়ি বাছাই করার সময় ৭টি বিষয় মনে রাখবেন!!”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *